বাংলাদেশে গত পাঁচ বছরে কীটনাশকের ব্যবহার বেড়েছে ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ। ১৯৭২ সালে মাত্র ৪ হাজার মেট্রিক টন কীটনাশক ব্যবহৃত হলেও ২০২২ সালে তা দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার মেট্রিক টনে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে সিএবিআই আয়োজিত জার্নালিস্ট ওয়ার্কশপ অন পেস্টিসাইড রিস্ক রিডাকশন শীর্ষক কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়।
কর্মশালায় জানানো হয়, ১৯৯৭ সালে কীটনাশক ব্যবহার ছিল ১১ হাজার ৩৬৭ টন, যা ২০২২ সালে বেড়ে হয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৩ টন। বর্তমানে দেশে কীটনাশকের বাজার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার। মাছচাষ ও শুকনো মাছ উৎপাদনেও কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে।
ডিএই মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলম বলেন, সাংবাদিকদের প্রতিবেদনের কারণে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে, ফলে অযথা কীটনাশক ব্যবহারের প্রবণতা কিছুটা কমেছে। তবে খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি খাদ্যের নিরাপত্তা নিয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।
ডিএইর সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল মুঈদ বলেন, কৃষকরা কীটনাশক ব্যবহার করতে গিয়ে ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন। বর্তমানে ক্যানসার রোগীদের ৬৪ শতাংশই কৃষক।
প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ড. দিলরুবা শারমিন জানান, দেশে ৮ হাজার ১৩টি কীটনাশকের নাম নিবন্ধিত থাকলেও ব্যবহার হচ্ছে ৩৬৩টি। ৭৫৪টি কোম্পানি কীটনাশক সরবরাহ করছে। ২০২৩ সালে দেশে ব্যবহার হয়েছে ৩৯ হাজার ১৫৭ মেট্রিক টন কীটনাশক।
সরকার ইতোমধ্যে ৪০টি ক্ষতিকর কীটনাশক নিষিদ্ধ করেছে এবং বিকল্প হিসেবে ১১০টি বায়ো-পেস্টিসাইড নিবন্ধন দিয়েছে।