বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে ভূরিভূরি গোল করে ৬টি গোল্ডেন বুট জিতেছেন লিওনেল মেসি। ক্লাব ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতার এই পুরষ্কার আর্জেন্টাইন মহাতারকা কেবল বার্সেলোনার জার্সিতেই অর্জন করেছেন। সোনালি সেই সময়টায় মেসির সঙ্গে গোল্ডেন বুট জেতার লড়াইয়ে ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সাবেক রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ডে ছিলেন মেসির প্রতিদ্বন্দ্বি।
সময় বদলেছে। বদলে গেছে মেসি আর রোনালদোর পথও। তবে বদলায়নি দুই সর্বকালের অন্যতম সেরার গোল্ডেল বুটের ক্ষুধা। সৌদি প্রো লিগে টানা দুই মৌসুম গোল্ডেন বুট জিতেছেন আল নাসর ফরোয়ার্ড রোনালদো। আর এদিকে এমএলএসে (মেজর লিগ সকার) চলতি মৌসুমে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌঁড়ে আছেনে ইন্টার মায়ামি তারকা মেসি।
এমএলএসে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে মেসিকে টেক্কা দিচ্ছেন ন্যাশভিলের ফরোয়ার্ড স্যাম সারিজ। সিনসিন্নাতির বিপক্ষে গতকাল ২-১ গোলে তার ক্লাব ন্যাশভিল হারলেও গোল পান ইংলিশ ক্লাব বোর্নমাউথের সাবেক এই ফুটবলার।
এমএলএসে এ নিয়ে সারিজের মোট গোল এখন ২১। অন্যদিকে দুই কম ১৯ গোল নিয়ে গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়ে দুইয়ে আছেন মেসি। তবে মায়ামির হয়ে আরো আটটি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছেন রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী।
এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্স থেকে ক্লাবগুলো ৩৪টি ম্যাচ খেলে। সারিজের ক্লাব ন্যাশভিল ইতোমধ্যে ৩০টি ম্যাচ খেলেছে, যেখানে এখন পর্যন্ত ২৬টি ম্যাচ খেলেছে মেসির মায়ামি। তাতে সর্বজয়ী মেসি ফুটবল ক্যারিয়ারে আরো একটি গোল্ডেন বুট যোগ করার দারুণ সুযোগই পাচ্ছেন।
অবশ্য সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন অনেকে। এর মধ্যে আছেন এলএএফসির দেনিস বুয়াঙ্গা, এখন পর্যন্ত তার গোলসংখ্যা ১৮ গোল। এ ছাড়া ১৭ গোল আছে দু’জনের, ১৬ গোলদাতা তিনজন।
গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে মেসিকে টেক্কা দেওয়া সাবেক ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২১ দলের স্ট্রাইকার সারিজ ইংল্যান্ডের একাধিক ক্লাবে খেলে ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এসে থিতু হন। সব মিলিয়ে ন্যাশভিল এসসির হয়ে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩। দুই মৌসুমেই ক্লাবের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেছেন তিনি।