১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৯ এ.এম

ট্রাম্পের স্কটিশ শিকড়: নানাবাড়ির গল্পে নতুন উচ্ছ্বাস

ট্রাম্পের স্কটিশ শিকড়: নানাবাড়ির গল্পে নতুন উচ্ছ্বাস

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক জীবন যতই বিতর্কে ঘেরা হোক, স্কটল্যান্ডে তিনি খুঁজে পান ভিন্ন এক পরিচয়—নানাবাড়ির টান। তার মা মেরি অ্যান ম্যাকলিওড জন্মেছিলেন স্কটল্যান্ডের দূরবর্তী লুইস দ্বীপে। সেই ইতিহাসকে সামনে এনে ট্রাম্প বারবার বলেছেন, “স্কটল্যান্ড আমার কাছে খুব বিশেষ।”

লুইস দ্বীপের ছোট্ট বাড়ি থেকে আমেরিকায় পাড়ি জমানো মা’কে ঘিরে ট্রাম্পের পারিবারিক ইতিহাস এখন নতুন করে আলোচনায়। অনেক স্কটিশ নাগরিকের কাছে এটি কেবল এক প্রভাবশালী ব্যক্তির নয়, বরং অভিবাসনের গল্প—যেখানে শিকড় থেকে উঠে এসে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছানো সম্ভব।

স্কটল্যান্ডেই তিনি গড়ে তুলেছেন টার্নবেরি ও অ্যাবারডিনশায়ারের গলফ রিসোর্ট। এখন আবার মা’র নামানুসারে “MacLeod Course” তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। পরিবারকে কেন্দ্র করে এই উদ্যোগ স্থানীয়দের একাংশে কৌতূহল আর উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে।

ট্রাম্পের নাম শুনলেই রাজনৈতিক বিভাজন জেগে ওঠে, কিন্তু তার স্কটিশ শিকড়ের গল্পে অনেকেই খুঁজে পান পারিবারিক টান, ইতিহাসের সংযোগ আর প্রবাস জীবনের প্রতিচ্ছবি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক স্কটিশ তরুণ লিখছেন—“এটি আমাদের দ্বীপের গল্প, যেখান থেকে বিশ্বরাজনীতির কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে এক নারীর সন্তান।”

তাই প্রশ্ন উঠছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প কি স্কটল্যান্ডে কেবল বিতর্কিত নেতা, নাকি হারানো শিকড়ের স্মৃতি জাগানো এক ঐতিহাসিক চরিত্র?