১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:৩৮ পি.এম

“সচেতন থাকুন, কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করুন”

“সচেতন থাকুন, কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করুন”

বাংলাদেশে পেটের নানা সমস্যার মধ্যে কোলন ক্যানসার এখন এক মারাত্মক জনস্বাস্থ্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই হজমের সমস্যা, গ্যাস্ট্রিক কিংবা পাইলস ভেবে উপসর্গগুলোকে গুরুত্ব দেন না। অথচ এই অসচেতনতার আড়ালেই লুকিয়ে থাকতে পারে প্রাণঘাতী কোলন ক্যানসার। ফেসবুকে দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসক ডা. জিএম আব্দুস সালাম।

তিনি জানান, কোলন হলো বৃহদান্ত্রের একটি অংশ, যেখানে খাবারের অবশিষ্টাংশ জমা হয়। এই অংশের কোষ অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করলে এবং টিউমার তৈরি হলে কোলন ক্যানসার হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগটির লক্ষণ স্পষ্ট না হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

ঝুঁকি ও কারণ

ডা. সালামের মতে, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত ফাস্টফুড ও লাল মাংস খাওয়া, ফল ও সবজি কম খাওয়া, ধূমপান ও অ্যালকোহল, স্থূলতা, অলস জীবনযাপন, পারিবারিক ইতিহাস এবং বয়স (বিশেষ করে ৫০ বছরের পর) কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়া ক্রোন’স ডিজিজ ও আলসারেটিভ কোলাইটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগও এর জন্য দায়ী হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ

কোলন ক্যানসারের কিছু সতর্ক সংকেত হলো—

মলে রক্ত থাকা

দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া

মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন

পেটব্যথা বা অস্বস্তি

অকারণে ওজন কমে যাওয়া

পেট ফোলা, গ্যাস ও রক্তাল্পতা

চিকিৎসা

চিকিৎসকরা জানান, রোগের ধাপ অনুযায়ী সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি এবং ইমিউনোথেরাপি দেওয়া হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে কোলন ক্যানসার সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।

সতর্কবার্তা

ডা. জিএম আব্দুস সালাম পরামর্শ দেন, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন থেকে দূরে থাকতে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে। তার ভাষায়— “কোলন ক্যানসারকে অবহেলা করা মানেই জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা। সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন।”

আপনি চাইলে আমি এই প্রতিবেদনের জন্য কয়েকটি জনসচেতনতামূলক স্লোগান বা ইনফোগ্রাফিক ক্যাপশন সাজিয়ে দিতে পারি, যা পত্রিকার সাইডবার বা পোস্টারে ব্যবহার করা যাবে। চাইবেন কি?