গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান ঋণ স্থিতি ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১২ হাজার কোটি টাকাই এস আলম গ্রুপ নামে-বেনামে নিয়েছে, যা ব্যাংকটির মোট ঋণের ৮৫ শতাংশের বেশি। এসব ঋণের বিপরীতে জামানত আছে ২৫ শতাংশেরও কম।
একীভূতকরণ নিয়ে বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের শুনানি শেষে এসব তথ্য জানান ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমিন।
ব্যাংকটির দুর্দশা তুলে ধরে আমানতকারী ও কর্মীদের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে তাই মেনে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৈঠকেগ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের অডিট রিপোর্ট তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৩ থেকে ২০১৮, এই ৫ বছরে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের শুধুমাত্র খাতুনগঞ্জ শাখা থেকেই ৫০ ট্রেডিং কোম্পানির মাধ্যমে ৮৫ শতাংশ ঋণ নেয় এসআলমের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো।
এদিকে, শেষদিনের শুনানিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে উপস্থিত হয় সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার ৬২ শতাংশ। বৈঠকে মার্জারের বিপক্ষে অবস্থান তুলে ধরে সময় চায় ব্যাংকটি।
এর আগে একীভূতকরণের তালিকায় থাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করণের পক্ষে থাকার ইঙ্গিত দিলেও ঘুরে দাঁড়াতে সময় চায় এক্সিম ব্যাংক।