রাশিয়া পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ১৯৯০-এর দশকের পর আবার বার্টার বাণিজ্য (পণ্য বিনিময়) শুরু করেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ ও ক্রিমিয়া দখলের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ২৫,০০০-এর বেশি নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়ার ব্যাংকগুলো SWIFT সিস্টেম থেকে বিচ্ছিন্ন। এ কারণে চীনা ব্যাংকগুলো রাশিয়ার সঙ্গে লেনদেনে ভয় পাচ্ছে। ফলে রাশিয়া এখন গমের বিনিময়ে চীনা গাড়ি, ফ্ল্যাক্স সীডের বিনিময়ে নির্মাণ সামগ্রী বা গৃহস্থালি পণ্য নিচ্ছে।
রাশিয়ার অর্থনীতি মন্ত্রক ২০২৪ সালে একটি গাইড প্রকাশ করে বার্টার বাণিজ্যের নিয়ম ব্যাখ্যা করেছে। এই পদ্ধতিতে ডলার বা ইউরোর প্রয়োজন হয় না, যা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়ক। উদাহরণস্বরূপ, চীনের একটি কোম্পানি স্টিলের বিনিময়ে মেরিন ইঞ্জিন নিয়েছে। এছাড়া, পাকিস্তানের সঙ্গেও বার্টার চলছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বার্টার বাণিজ্য বাড়ছে কারণ এটি লেনদেনের হিসাব গোপন রাখে। তবে রাশিয়ার অর্থনীতি চাপে রয়েছে; মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিসেশনের কথা জানিয়েছে। ১৯৯০-এর দশকে বার্টার অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল, এবং এখনও এর মাধ্যমে দাম নির্ধারণ ও ট্যাক্সে সমস্যা হতে পারে। তবু রাশিয়া ও চীন এই পদ্ধতিকে সমাধান হিসেবে দেখছে।


